Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

নূপুর শর্মার সমর্থনে ফেসবুকে পোস্ট করায় হিন্দু অধ্যক্ষ ও ছাত্রকে জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানো হলো, পরে গ্রেপ্তার

(Image Credits: BD24Live)

ফের ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক হিন্দু অধ্যক্ষ ও ছাত্রকে নির্যাতন করার ঘটনা ঘটলো বাংলাদেশে। অভিযোগ, ওই দুই জন ভারতের সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার সমর্থনে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। আর এতেই মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তারপরই উত্তেজিত মুসলিম জনতা তাদেরকে জুতোর মালা পরিয়ে রাস্তায় ঘোরায়। পরে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এমনই মধ্যযুগীয় বর্বর ঘটনা ঘটেছে নড়াইলের মির্জাপুরে। 

জানা গিয়েছে, মির্জাপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস এবং এক ছাত্র রাহুল ইসলামিক জনতার দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন। ঘটনার সূত্রপাত হয় ওই কলেজের ছাত্র রাহুলের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে।

গত ১৮ই জুন রাহুল তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে নুপুর শর্মার সমর্থনে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্ট কলেজের মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের নজরে এলে তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাদের অভিযোগ, যেহেতু নুপুর শর্মা নবী মহম্মদের অবমাননা করেছেন, তাই তাকে সমর্থন করে সমান অপরাধ করেছেন রাহুল। তাঁরা দলবদ্ধভাবে অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের ঘরে যান এবং রাহুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

কিন্তু মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নিতে অস্বীকার করেন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তাঁরা। ওই দিন অর্থাৎ ১৮ই জুন বিকেল নাগাদ স্থানীয় একদল মুসলিম জনতা কলেজে হামলা চালায়। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় কলেজের মুসলিম ছাত্ররা। তাঁরা কলেজে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারপর ওই অধ্যক্ষ ও ছাত্রকে জুতোর মালা পরিয়ে কলেজে ঘোরানো হয়।

পরে ঘটনার খবর পেয়ে কলেজে ছুটে আসে সদর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। আসেন জেলাশাসক হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়। ইসলামিক জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। ওই দুই জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom