Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

ঝাড়খন্ড: মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার স্কুলে শুক্রবারে ছুটি, রবিবার খোলা থাকে স্কুল, তদন্তে শিক্ষা দপ্তর


মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা হওয়ায় সরকারি স্কুল পরিচালনা করা হছিলো ইসলামিক নিয়ম মেনে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী রবিবার স্কুল ছুটি দেওয়ার বদলে ছুটি দেওয়া হচ্ছিল শুক্রবার। জামতাড়ার পরে তদন্তে নেমে এমন একাধিক স্কুলের সন্ধান পেলো শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা।
সব চেয়ে বেশি সংখ্যক এমন স্কুলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দুমকা জেলায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, দুমকা জেলার মোট ৩৩টি সরকারি বিদ্যালয়কে বদলে ফেলা হয়েছে ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী। অভিযোগ, বেশ কয়েকটি সরকারি বিদ্যালয়কে উর্দু স্কুলে বদলে ফেলা হয়েছে।

বদলে ফেলা হয়েছে সরকারি নিয়ম
অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। দেখা যায়, দুমকা জেলার ৩৩টি সরকারি বিদ্যালয় সরকারি নিয়ম মেনে চলছে না। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেশ কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ওই স্কুলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা দেখেন যে স্কুলের বাইরে দেওয়ালে মিড-ডে মিলের যে সূচী লেখা রয়েছে, তাতে রবিবার দিনের মেনু লেখা রয়েছে। কিন্তু শুক্রবারের দিনের কোনও মেনু নেই, তার বদলে ‛জুম্মা বার’ লেখা রয়েছে। কিছু ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে আধিকারিকরা জানতে পারেন যে শুক্রবারের দিন স্কুল ছুটি থাকে। তার বদলে রবিবার স্কুল চালু থাকে। 

বহু সরকারি স্কুলে পড়ানো হচ্ছে উর্দু: 
এছাড়াও, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার সরকারি স্কুল নিয়ে আরও মারাত্বক অভিযোগ সামনে এসেছে। বহু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উর্দু পড়ানো হচ্ছে। বেশ কয়েকটি সরকারি স্কুলে আবার মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিশুদের পড়ানো হচ্ছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, শিকারীপাড়া এলাকায় ১০টি সরকারি স্কুলকে উর্দু স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, জামা, জারমুন্ডি, কাঠিকুন্ড এলাকার দুটি করে সরকারি স্কুলকে মাদ্রাসা স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এই স্কুলগুলিতে শুক্রবার ছুটি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ওই স্কুলগুলি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকাগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ।


শিক্ষামন্ত্রীর তদন্তের নির্দেশ: 
এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে ঝাড়খন্ড সরকার। কিভাবে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুলগুলিকে উর্দু স্কুল এবং মাদ্রাসায় রূপান্তরিত করা হলো, তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের শিক্ষামন্ত্রী জগরনাথ মাহাতো।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগরনাথ মাহাতো বলেন, ‛তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চলে আসবে। তারপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom