Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

টার্গেট: ২০৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, ফাঁস PFI-এর পরিকল্পনা



পুলিশের অভিযানে বিহারে গ্রেপ্তার হওয়া ৩ ইসলামিক মৌলবাদীর কাছ থেকে পাওয়া গেলো মারাত্বক তথ্য। ৭ পাতার ছাপা নথিতে ভারতকে নিয়ে মারাত্বক পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওই নথিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যে কিভাবে ২০৪৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ভারতে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। আর এই পুরো পরিকল্পনার পিছনে রয়েছে ইসলামিক মৌলবাদী সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া(PFI)।

বিহার পুলিশের একটি দল ফুলওয়ারী শরীফ এলাকা থেকে এদের গ্রেপ্তার করে। এদের মূল মাথা মহম্মদ জালালুদ্দিন। এদের ঘরের বিছানার নিচে এমন একটি ষড়যন্ত্রের নথি পাওয়া গিয়েছে, যা দেখার পর চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। পুরো পরিকল্পনার ব্যাপকতা আঁচ করে পুরো ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়ে NIA(National Investigation Agency)।

ভারতে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য: 

উদ্ধার হওয়া ছাপা নথির নাম দেওয়া হয়েছে ‛India 2047’। তার নিচে রয়েছে ‛Towards Rule of Islam in India’। তার নিচে স্পষ্টত ইংরেজিতে লেখা রয়েছে, যার অর্থ বাংলাতে দাঁড়ায় ‛অভ্যন্তরীণ নথি, বিতরণের জন্য নয়’। 

মোট ৭ পাতার এই নথিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যে কিভাবে ভারতে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। আর তা সম্ভব হবে ২০৪৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতার ১০০ বছরের মধ্যেই। এর জন্য বলা হয়েছে যে ভারতের ১০ শতাংশ মুসলমান যদি PFI-এর সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে সেই স্বপ্ন সত্যি হবে। 

বিস্তারিত পরিকল্পনা: 


(১)  ভারতে একসময় মুসলিমদের শাসন ছিল। বর্তমানে দেশের ৯টি জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা ৭৫ শতাংশের বেশি। ইন্দোনেশিয়ার পর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলমান ভারতে বসবাস করে। তারপরেও ভারতের মুসলমানদের অবস্থা ভালো নয়। এর পরিবর্তনের জন্য দেশের মুসলমানদের এগিয়ে আসতে হবে।


(২) ভারতে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং দেশের মাত্র ১০ শতাংশ মুসলমান যদি PFI-এর সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে ‛ভীতু’ হিন্দুদের শক্তির জোরে পায়ের নিচে রাখা হবে। তারপর তাঁরা ভয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবে।(দ্বিতীয় পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্যঃ)

(৩) মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার মুসলিমদের বারবার বিভিন্ন সভা-মিটিংয়ের মাধ্যমে একথা বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে যে ভারতবর্ষে তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। তাদের উপরে অত্যাচার করা হচ্ছে। যেসব এলাকা মুসলিম সংখ্যালঘু এবং নিজেদের নিরাপদ মনে করে, সেখানকার মুসলিমদের একথা বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে যে তাঁরা ভালো নেই। এভাবেই তাদেরকে উস্কানি দিতে হবে, প্ররোচিত করতে হবে।

(৪) পরিকল্পনা অনুযায়ী, মুসলিমদের এই শিক্ষা দিতে হবে যে ভারতীয় হওয়ার পূর্বে তাঁরা একজন মুসলমান এবং ইসলামের রক্ষক। তারপর তাদেরকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

(৫) পরের ধাপে মুসলমানরা দেশের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট দাঙ্গা করবে। তাতে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের মনে ভয় ও আতঙ্কের সৃষ্টি হবে। মুসলমানদের শক্তি পরীক্ষা ও প্রদর্শনের জন্য এমনটা করা হবে। 

এমন ঘটনা যখন ঘটবে, তখন PFI নেতৃত্ব দেশের গণতন্ত্র, সমানাধিকার, ভীমরাও আম্বেদকর ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা করবে। এর ফলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের মনোযোগ ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

(৬) দেশের দলিত, আদিবাসী, পিছিয়ে পড়া জনজাতির মানুষদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। তাদের মধ্যে হিন্দু সংগঠন বিরোধী বিষ ঢুকিয়ে দিতে হবে। এর ফলে হিন্দু সংগঠনগুলির সঙ্গে দলিত, আদিবাসীদের বিরোধ সৃষ্টি হবে। কম করে দেশের ১০ শতাংশ দলিত ও আদিবাসী জনতাকে মুসলমানদের পক্ষে নিয়ে আসতে হবে।

(৭) এইভাবে চলতে থাকলে PFI দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসবে। তারপর দেশের তামাম পুলিশ ফোর্স, সেনা, সিভিল সার্ভিস, গোয়েন্দা বিভাগে PFI-এর সদস্যদের নিযুক্ত করা হবে। দেশের বিচার ব্যবস্থায় PFI-এর সদস্যদের নিযুক্ত করা হবে।

(৭) এইভাবে চলতে চলতে যেদিন PFI-এর হাতে যথেষ্ট শক্তি আসবে, তখন PFI দেশের সংবিধান বদলে ফেলবে এবং ইসলামিক নিয়ম ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের নতুন সংবিধান চালু করবে।

আপাতত এই বিস্তারিত নথির তদন্ত করছে NIA। NIA ও পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা ক্যারাটে ট্রেনিং দেওয়ার আড়ালে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলো। ধৃতরা সকলেই সিমি ও PFI-এর সদস্য।এর আগে কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গে ট্রেনিং দিয়েছে তাঁরা। এই পরিকল্পনার পিছনে কারা কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে ধৃতদের আরও জেরা করছেন গোয়েন্দারা। 

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom