Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

CAA নিয়ে মোদী সরকারের নতুন নতুন নাটক, এবার অভিনেতা অমিত শাহ


প্রতিশ্রুতির পর প্রতিশ্রুতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বিজেপির ছোট, বড়ো, মাঝারি ও খুচরো নেতারা একাধিকবার বলেছেন যে CAA মোদী সরকারের বড়ো সাফল্য। কিন্তু সেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন(CAA) কবে লাগু হবে দেশে, তা কেউই বলতে পারছেন না। তাই এবারে CAA নিয়ে নতুন প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, করোনা ভ্যাক্সিন দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হলেই দেশে CAA লাগু হবে। তবে এবারের প্রতিশ্রুতি আগের মত ফাঁকা কিনা, তা একমাত্র সময়ই বলবে।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচন কিংবা ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন হোক, বিজেপি বরাবরই CAA লাগু করার কথা তাদের নির্বাচনী সংকল্প পত্রে উল্লেখ করেছে। মূলত প্রতিবেশী আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সেই আইনে। CAA আইন পাসও করায় মোদি সরকার। কিন্তু দেশের বিরোধী দল ও দেশের মাটিতে সক্রিয় ইসলামিক মৌলবাদীদের বিরোধের ফলে পিছু হঠে মোদী সরকার। আর এর ফলেই তিনটি দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়। 

এরই মধ্যে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। সেই দেশে টিকে থাকা কয়েকশো হিন্দু ও শিখদের ভবিষ্যৎ কি হবে, তা নিয়ে প্রশ চিহ্ন দেখা যায়। তবে CAA লাগু না হলেও বিশেষ বিমানে সে দেশের শিখ ও হিন্দুদের অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে ভারতে উড়িয়ে আনে মোদী সরকার। তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর দুর্গা পূজার সময় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপরে ইসলামিক মৌলবাদীদের আক্রমণ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি মোদী সরকার। আর তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। 

এর পাশাপাশি হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সমর্থকদের একটা বড় অংশ মোদী সরকারকে এ নিয়ে নিশানা করতে থাকে। অনেকে আবার CAA লাগু না হওয়ায় বিজেপির উপরে চরম অসন্তুষ্ট। আর CAA কবে লাগু হবে, তাও জানেন না একাধিক রাজ্যের বিজেপির ছোট, বড় কিংবা মাঝারি নেতারা। তাঁরা এ নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকে। কর্মীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন তাঁরা। আর তাদের বাঁচাতেই CAA নিয়ে মুখ খুললেন অমিত শাহ, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

তাঁরা বলছেন, সামনেই একাধিক রাজ্যে ভোট রয়েছে। সেই ভোটে CAA একটা বড় ইস্যু। কারণ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপরে যেভাবে ইসলামিক মৌলবাদীদের নির্যাতন চলছে, তাতে CAA-এর প্রয়োজনীয়তা পরিষ্কার। আর ওই দেশগুলির সংখ্যালঘুদের একটা অংশ ভারতে আসতে চাইছেন। এমন পরিস্থিতিতে CAA দীর্ঘদিন ঝুলে থাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একটা বড়ো অংশের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। সেই অসন্তোষ চাপা দিতেই CAA নিয়ে ফের নতুন প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ। 

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom