Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

Love Jihad: হাতে মা দুর্গার ট্যাটু বানিয়ে হিন্দু যুবতীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে, পরে ভয়াবহ অত্যাচার, গ্রেপ্তার আইনজীবী ইরশাদ আলী

Representative Image

রাজধানী দিল্লী থেকে লাভ জিহাদের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। হিন্দু যুবতীকে প্রথমে মিথ্যা পরিচয়ে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন এক মুসলিম ব্যক্তি। পরে ওই যুবতী যখন পুরো ঘটনা জানতে পারেন, তখন তাঁর উপরে লাগাতার শারীরিক অত্যাচার চলতে থাকে। ওই হিন্দু তরুণীকে ইসলামে ধর্মান্তরণের জন্য অত্যাচার চালানো হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মুসলিম ব্যক্তি ইরশাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

জানা গিয়েছে, ইরশাদ আলী পেশায় আইনজীবী। দিল্লীর জ্যোতি নগর এলাকার বাসিন্দা। গত ২০১১ খ্রিস্টাব্দে ওই হিন্দু তরুণী ইরশাদ আলীর কাছে ইন্টার্নশিপ করতে যান। তরুণীর অভিযোগ, সেই সময় ইরশাদ আলী নিজেকে গুড্ডু চৌধুরী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। এমনকি নিজেকে হিন্দু প্রমান করতে ইরশাদ নিজের হাতে মা দুর্গার ট্যাটু করিয়েছিল। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে দুজনে বিয়ে করেন। 

তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের পরে কয়েক বছর দুজনে সংসার করলেও তিনি বুঝতে পারেননি যে তাঁর স্বামী আসলে মুসলিম ধর্মালম্বী। পরে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর স্বামী হিন্দু নন। তাঁর আসল নাম ইরশাদ আলী।

এ কথা জানাজানি হওয়ার পরই তাঁর উপরে নেমে আসে অত্যাচার, অভিযোগ হিন্দু তরুণীর। প্রায়শই তাকে মারধর করা হতো, ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতো। ধর্মান্তরিত হতে রাজি না হলে চলতো বেধড়ক মারধর। বেশ কিছু মাস পর সেই অত্যাচার অসহ্য হয়ে ওঠে। তখন বাধ্য হয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান ওই তরুণী। 

কিন্তু এরই মাঝে হঠাৎই একদিন তাকে ভোপালে নিয়ে যায় ইরশাদ। সেখানকার এক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় একটি ঘরে আটকে রাখা হয় তাকে। তরুণীর অভিযোগ, ইসলাম ধর্ম গ্রহন রাজি না হওয়ায় তাঁর উপর চলে নির্মম অত্যাচার। তাকে নগ্ন করে ভিডিও রেকর্ড করতো ইরশাদ। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করলে সেই সব ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দিতো ইরশাদ। 

এরই মধ্যে একদিন সুযোগ বুঝে দিল্লী পালিয়ে আসেন ওই হিন্দু তরুণী। দিল্লী এসেই সোজা জ্যোতি নগর থানায় উপস্থিত হয় সে। সেখানে পুলিশকে পুরো ঘটনা খুলে বলে এবং ইরশাদ আলীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরে পুলিশ ওই যুবতীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকের কথায়, এমন ভয়াবহ অত্যাচারের চিহ্ন দেখে আমরা হতভম্ব। শরীরে রড দিয়ে মারের ফলে ২৮টি স্থানে ফাটার দাগ রয়েছে। একটি পায়ের তরুণাস্থি ভেঙে গিয়েছে। 

পরে পুলিশ অভিযুক্ত ইরশাদ আলীকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫৪ডি, ৩৭৬, ৩৭৭, ৪৯৩, ৪৯৫ এবং ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জেরা করছে পুলিশ। আপাতত ওই হিন্দু তরুণীর কাউন্সেলিং এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে পুলিশের তরফে। 


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom