Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

তামিলনাড়ু: ১,৫০০ বছরের প্রাচীন মন্দির সমেত একটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামের মালিকানা দাবি করলো ওয়াকফ বোর্ড

ছবি: এই মন্দির সমেত পুরো গ্রামের মালিকানা দাবি করেছে ওয়াকফ বোর্ড

চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটলো তামিলনাড়ুতে। দুই কিংবা দশ বিঘা জমি নয়, একটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামের মালিকানা দাবি করলো ওয়াকফ বোর্ড। দাবির তালিকায় রয়েছে গ্রামের হিন্দুদের একমাত্র মন্দিরটিও। গ্রামের হিন্দুদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই তাদের জমি ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। 

তামিলনাড়ুর ত্রিচি শহরের কাছে কাবেরী নদীর তীরে অবস্থিত হিরুচ্ছেনতুরাই গ্রাম। এই গ্রামেই রয়েছে দেড় হাজার বছরের পুরোনো মানেডোয়াভাললি সামেথা চন্দ্রশেখরা স্বামী মন্দির। মন্দিরের নামে গ্রামে এবং আশেপাশের গ্রামে রয়েছে ৩৬৯ একর জমি। গ্রামের সমস্ত হিন্দু বাসিন্দাদের রয়েছে পুরোনো জমির দলিল ও কাগজপত্র। 

ওই গ্রামের সমস্ত জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে ওয়াকফ বোর্ডের তরফে, তা প্রথম নজরে আসে গ্রামের বাসিন্দা রাজগোপাল নামে এক ব্যক্তির। তিনি নিজের এক একর জমি গ্রামের এক বাসিন্দাকে বিক্রি করেন। সেই জমি রেজিস্ট্রেশন বিক্রেতার নামে করাতে গিয়েই তাঁর মাথায় হাত। রেজিস্টার জানান যে এই জমি তিনি বেআইনিভাবে বিক্রি করেছেন। কারণ এই জমির মালিক তিনি নন, বরং তামিলনাড়ু ওয়াকফ বোর্ড। 

রেজিস্টার আরও জানান যে এই জমি বিক্রি করতে গেলে চেন্নাই থেকে ওয়াকফ বোর্ডের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। তখন রাজগোপাল রেজিস্টারকে বলেন যে যে জমি তিনি বিক্রি করছেন, সেই জমি তিনি ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে কিনেছিলেন। আর সেই জমির রেজিস্ট্রেশন এই অফিসেই হয়েছিল। তারপর তিনি তাঁর জমির সমস্ত দলিল ও কাগজপত্র দেখান। তা সত্বেও রেজিস্টার বলেন যে ঐ পুরো গ্রামের মালিক ওয়াকফ বোর্ড। 

তারপরই রাজগোপাল গ্রামে ফিরে সমস্ত বাসিন্দাদের এই কথা বলেন। তাঁর মুখে এমন কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েন সকলে। গ্রামের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল রেজিস্টার অফিসে খোঁজখবর নিয়ে দেখেন যে ঘটনা সত্যি। তারপরই সকলে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জেলাশাসকের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক।

গ্রামের এক বাসিন্দা আল্লুর প্রকাশ বলেন, ‛গ্রামের মন্দিরটি দেড় হাজার বছরের পুরোনো। গ্রামের মন্দিরের নামেই রয়েছে ৩৬৯ একরের বেশি জমি। গ্রামের সব বাসিন্দাই হিন্দু। তারপরেও চক্রান্ত করে ওই গ্রামের জমি ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। চক্রান্ত করে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চলছে।’

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom