Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

উত্তর প্রদেশ: মন্দিরে ঢুকে শিবলিঙ্গে প্রস্রাব করলো মহম্মদ শোয়েব; ‛ও মানসিক ভারসাম্যহীন’, বলছে পুলিশ


হিন্দু এবং হিন্দুদের ধর্মীয় স্থলের বিরুদ্ধে ঘৃণার ঘটনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এবার ঘটনা উত্তর প্রদেশের মীরাটের। মহম্মদ শোয়েব নামে এক যুবক মন্দিরে ঢুকে শিবলিঙ্গের উপরে প্রস্রাব করলো। আর সেই ঘৃণ্য ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। তবে পুলিশের বক্তব্য, ‛ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন’।

জানা গিয়েছে, মীরাটের সারুরপুর থানার অন্তর্গত রাসনা গ্রামে ২০০ বছরের প্রাচীন একটি শিব মন্দির রয়েছে। গত ১৮ই অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে ওই মন্দিরের পুজো করার জন্য পুরোহিত এসে দেখেন যে মন্দিরের মূল দরজা খোলা অবস্থায় রয়েছে। ভিতরে ঢুকে দেখেন যে শিবলিঙ্গের আশেপাশে জলের মতো পড়ে রয়েছে এবং প্রস্রাবের দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তারপরই আশেপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান মন্দিরের পুরোহিত। 

তাঁরা এসে মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ চালিয়ে দেখেন যে এক যুবক মন্দিরে ঢুকে প্রস্রাব করছে। পরে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সেই ভাইরাল ভিডিও দেখে অনেকেই ওই যুবককে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পরে বিষয়টি নজরে আসে পুলিশের। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে মহম্মদ শোয়েবকে চিহ্নিত করে পুলিশ এবং তাকে গ্রেপ্তার করে।

কিন্তু ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয় পুলিশের মন্তব্যে। এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায় যে মহম্মদ শোয়েব মানসিক ভারসাম্যহীন এবং নেশাগ্রস্ত ছিল। তাই সে এমন কান্ড ঘটিয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশের তরফে এও জানানো হয় যে মহম্মদ শোয়েবের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

তবে ইদানিং কালে বেশ কয়েকটি হিন্দু মন্দিরে হামলা এবং মূর্তি ভাঙার ঘটনায় দেখা গিয়েছে যে মানসিক ভারসাম্যহীন মুসলিমরা গ্রেপ্তার হচ্ছে। এর আগে হায়দ্রাবাদের দুর্গা মূর্তি ভাঙচুর করার ঘটনায় দুই মুসলিম মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে পুলিশের তরফে জানানো হয় যে ঐ দুই মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। একইভাবে শোয়েবকেও মানসিক ভারসাম্যহীন বলছে পুলিশ। কিন্তু মানসিক ভারসাম্যহীনরা কেন বেছে বেছে হিন্দু মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে, তা কিন্তু এখনও তদন্তে উঠে আসেনি।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom