Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

ওয়াকফ আইন, ১৯৯৫ সংবিধান বিরোধী; বাতিলের দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা

Image: Allahabad HC

এবার ওয়াকফ আইন, ১৯৯৫ বাতিলের দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা দায়ের হলো। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো এই যে ঐ মামলার ভিত্তিতে গত ১৪ই অক্টোবর, এলাহাবাদ হাইকোর্ট দেশের এডভোকেট জেনারেল এবং এটর্নি জেনারেলের কাছে এ বিষয়ে জবাব চেয়ে পাঠিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, ওয়াকফ আইনটি বাতিলের দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের করেছেন আশীষ তিওয়ারী নামে এক ব্যক্তি। তাঁর হয়ে মামলা লড়ছেন বিখ্যাত আইনজীবী শ্রী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন। গত ১৪ই অক্টোবর, এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি জে জে মুনির এবং প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। 

দায়ের করা পিটিশনে মামলাকারী দাবি করেন যে ওয়াকফ আইনের বেশ কিছু ধারা সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদ(Equality before law), ১৫নং অনুচ্ছেদ(Prohibition of Discrimination),২৫নং অনুচ্ছেদ (Freedom of conscience and free profession, practice and propagation of religion), ২৬নং অনুচ্ছেদ (Freedom to manage religious affairs),  ২৭নং অনুচ্ছেদ(Freedom as to payment of taxes for promotion of any particular religion) এবং ৩০০A (Freedom as to payment of taxes for promotion of any particular religion)-এর বিরোধী। তাই এই ওয়াকফ আইন বাতিল করার নির্দেশ দিক আদালত, এমন দাবি করা হয়েছে পিটিশনে।

পিটিশনে এটাও জানানো হয় যে ওয়াকফ আইনের আওতায় ওয়াকফ বোর্ডকে এমন সব সুবিধা এবং ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেগুলি সংবিধানের মতের বিরোধী। ওয়াকফ বোর্ড শুধুমাত্র ওয়াকফ আইনের দৌলতে যা যা ক্ষমতা ভোগ করে, তার ছিটেফোঁটাও ক্ষমতা ও অধিকার নেই দেশের অন্য ধর্মালম্বী মানুষদের দ্বারা পরিচালিত মঠ, আশ্রম, ট্রাস্ট-এর। আর এটি সরাসরি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যের প্রমান। 

পিটিশনে আরও বলা হয়েছে যে কোনও সম্পত্তিকে নিজেদের বলে দাবি করতে পারে ওয়াকফ বোর্ড, যা সংবিধানের সমান ন্যায়ের বিরোধী। এমনকি অতীতে দেখা গিয়েছে যে বহু সম্পত্তি যা অন্য ধর্ম সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন, সেগুলিও দখল করেছে ওয়াকফ বোর্ড। পরে সেই সব নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে। তাই এইসব বিবেচনা করে ওয়াকফ আইনের মতো কালা আইন বাতিলের নির্দেশ দিক আদালত, এমন দাবি জানান আইনজীবী শ্রী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন। এইসব শোনার পর এডভোকেট জেনারেলকে মতামত জানানোর নির্দেশ দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ১৫ই ডিসেম্বর তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি স্থগিত রাখার নির্দেশও দেন বেঞ্চ।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom