Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

কাতার বিশ্বকাপ: ইহুদিদের প্রতি ঘৃণা ও বৈষম্য, নিষিদ্ধ ‛কোষার’ খাবার



বিশ্বকাপের শুরুর দিন থেকেই ইহুদিদের প্রতি চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছে আয়োজক দেশ কাতার। মুখে সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার কথা বললেও নিজেদের কট্টর ইসলামিক রূপ ধরে রাখলো কাতার। মুসলিম ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ‛হালাল’ খাবার এবং তাদের নামাজের জন্য ঘরের ব্যবস্থা থাকলেও ইহুদিদের জন্য কোনও ব্যবস্থা থাকছে না। শুধু তাই নয়, নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোষার খাবার।

উল্লেখ্য, এ বছরে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে ইজরায়েল এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে প্রায় দশ হাজার ইহুদি কাতারে এসেছেন। বিশ্বকাপ শুরুর পূর্বে কাতারের প্রশাসনের তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ধর্মপ্রাণ ইহুদিরা কোষার খাবার, ব্যাগেল স্যান্ডউইচ খেতে পারবেন। এমনকি রান্না করা খাবার ইহুদিরা নিজেদের সঙ্গে কাতারে নিয়ে আসতে পারবেন। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নিজেদের বিষাক্ত রূপ দেখাচ্ছে কাতার।

কাতারের প্রশাসনের তরফে ইহুদি ফুটবলপ্রেমীদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে কোষার খাবার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, রান্না করা খাবার এবং ব্যাগেল স্যান্ডউইচ পাওয়া যাবে না। ধর্মপ্রাণ ইহুদিদের জন্য প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে প্রার্থনারত ইহুদিদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার আয়োজন করা সম্ভব নয়।

আসলে কোষার খাবার হলো ইহুদিদের জন্য বিশেষ ধর্মীয় নিয়মে প্রস্তুত করা খাবার। ধর্মপ্রাণ ইহুদিদের জন্য বিশেষ নিয়মে কাটা হয় মাংস, যা কোষার পদ্ধতি নামে পরিচিত এবং ইহুদিদের জন্য বৈধ। 

প্রসঙ্গত, ইজরায়েল এবং ইহুদিদের প্রতি ইসলামিক রাষ্ট্র কাতারের ঘৃণা সর্বজনবিদিত। ইজরায়েলকে এখনও পর্যন্ত স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি কাতার। নেই কূটনৈতিক যোগাযোগও। এখনও পর্যন্ত ইজরায়েলকে প্যালেস্টাইনের অংশ হিসেবে গণ্য করে কাতার। এতদিন ইহুদিদের জন্য কাতারে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ইহুদিদের প্রবেশে অনুমতি দেয় কাতার। কিন্তু ইহুদিদের প্রতি ঘৃণা ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করেনি দেশটি। 

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom