Breaking Posts

6/trending/recent
Type Here to Get Search Results !

জিহাদের মুখোশ খুলে দিয়েছিলেন নিজের লেখা বইতে, অবসরপ্রাপ্ত আইবি অফিসারকে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন

ছবি: অবসরপ্রাপ্ত আইবি অফিসার আর এন কুলকার্নি

জিহাদ কিভাবে কাজ করে এবং জিহাদ কতটা দেশের ক্ষেত্রে বিপদজনক; এইসব বিষয় উল্লেখ করে বই লিখেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত আইবি অফিসার আর এন কুলকার্নি। আর তাকেই গতকাল একটি অজ্ঞাতপরিচয় গাড়ি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নিয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনা মাইসোরের মনসা গঙ্গোত্রী এলাকার।

উল্লেখ্য, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন কুলকার্নি। গত ২০০০ সালে অবসর নেন তিনি। অবসর নেওয়ার পরই মনসা গঙ্গোত্রী এলাকায় থাকতেন তিনি। পরে জিহাদ নিয়ে বই লেখেন তিনি। সেই প্রকাশ হওয়ার পরই বিতর্কের সূত্রপাত। 

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রতিদিন সন্ধ্যার মুখে হাঁটতে বের হতেন কুলকার্নি। আর সেই সময়ে তাকে গাড়ি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। 

সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্তে পুলিশ

পরে ঘটনার তদন্তে নেমে একটি সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিশ। সেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশের ধারণা কুলকার্নিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। 

পুলিশ জানিয়েছে যে সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, রাস্তার ধার ধরে ধীর গতিতে হেঁটে যাচ্ছিলেন কুলকার্নি। সেই সময় দ্রুত গতিতে আসা একটি গাড়ি এসে কুলকার্নির দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে মোড় নেয় এবং ধাক্কা মারে। গাড়ির ধাক্কায় কুলকার্নি অনেকটা দূরে ছিটকে পড়েন। তারপর গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যায় হত্যাকারী। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে গাড়ির নম্বর স্পষ্ট নয়। কিন্তু ওই গাড়িটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। 

পুলিশ কমিশনার চন্দ্রগুপ্ত বলেন, “সব দিক খতিয়ে দেখে আমরা সিদ্ধান্তে এসেছি যে এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা। আমরা সেইভাবেই তদন্ত শুরু করেছি। সহকারী পুলিশ কমিশনার নরসিংহ রাজার নেতৃত্বে তিনটি তদন্তকারী দল হত্যাকারীকে ধরতে কাজ করছে। সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে যে গাড়িতে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। আমরা কিছু সূত্র হাতে পেয়েছি, যা তদন্তের খাতিরে এই মুহূর্তে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

জিহাদের মুখোশ খুলে দিয়েছিলেন কুলকার্নি 

আইবি থেকে অবসর গ্রহণের পর মোট তিনটি বই লিখেছিলেন কুলকার্নি। প্রথম দুটি বই তিনি লিখেছিলেন ইন্টেলিজেন্স বিভাগে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে। কিন্তু সেই দুটি বই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়নি।

২০১৯ সালে কুলকার্নি তাঁর তৃতীয় বই প্রকাশ করেন। বইয়ের নাম ছিল ‘Facets of Terrorism in India’। সেই বইতে তিনি ভারতে চলা সন্ত্রাসবাদের দুটি রূপ তুলে ধরেছিলেন, যার একটি হলো লাল সন্ত্রাসবাদ এবং অন্যটি হলো জিহাদী সন্ত্রাসবাদ। 

সেই বইতে তিনি লিখেছেন, “The people of India are distortedly called Hindus due to historic reasons and by the invaders. It got stuck hard, through the ages. This caused a disconnect with their roots and hence they suffer from an identity crisis. Among the many invaders, it is only the Muslims who made India their home, through the process of religious turbulence. Hindus tried to co-exist with them sadly without ever trying to know either their religion or political thought of Islam. The creation of Pakistan in 1947 again set in motion the Jihad. Pakistan even now continues to be the epicenter of Jihad, where Kashmir is its live and brutal battlefield. This, the Western world and media have described it as Islamic terrorism.”

সেই বইয়ের ছত্রে ছত্রে তিনি লিখেছিলেন কিভাবে গত ১০০০ বছর ধরে ধর্মের নামে জিহাদ ভারতকে ভিতর থেকে ধ্বংস করে চলেছে। তিনি তাঁর বইতে বারবার জোর দিয়েছিলেন যে জিহাদকে ভারতের মাটি থেকে উপড়ে ফেলতে হলে শুধু কেন্দ্র সরকার কিংবা গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা যথেষ্ট নয়, বরং দেশের নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে এবং সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Ads Bottom